ক্রীড়া সংগঠক · বিসিবি ডেভেলপমেন্ট কমিটি চেয়ারম্যান · জিয়া-খালেদার কনিষ্ঠ পুত্র
১২ আগস্ট ১৯৬৯ — ২৪ জানুয়ারি ২০১৫
১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জন্ম। পিতা মেজর জিয়াউর রহমান তখন ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। মাতা খালেদা জিয়া। বড় ভাই তারেক রহমান।
মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৮১ সালে পিতা জিয়াউর রহমান সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হন।
মাত্র দুই বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। মা ও বড় ভাইয়ের সাথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন। খালা খুরশীদ জাহানের বাসায় আশ্রয়। পাকিস্তানি সেনারা অবস্থান জানলে বারবার স্থান পরিবর্তন।
২ জুলাই ১৯৭১: মা ও ভাইসহ পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতার। সংসদ ভবনে ও সেনানিবাসে আটক। ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার দিন মুক্তি।
ঢাকায় বিএএফ শাহীন স্কুলে শিক্ষা শুরু। পিতার মৃত্যুর পর চাচার কাছে যুক্তরাজ্যে ও-লেভেল, যুক্তরাষ্ট্রে এ-লেভেল, অস্ট্রেলিয়ায় সিভিল এভিয়েশনে উচ্চশিক্ষা।
১৯৮৯ সালে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি। দুই সেমিস্টার পর মা টাকা পাঠাতে অক্ষম হলে পড়াশোনা বন্ধ। পিৎজা ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করে জীবিকা। টেলিফোন লাইন কাটা, গাড়ি মেরামতে অক্ষম। ১৯৯১ সালে মা PM হলেও আর্থিক সমস্যার সমাধান হয়নি। পড়াশোনা ছেড়ে দেশে ফিরতে হয়।
অস্ট্রেলিয়ান কোচিং নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে বিসিবিতে HP ইউনিট প্রতিষ্ঠা। রিচার্ড ম্যাকইনেসকে নেতৃত্বে আনেন। পরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে রূপান্তর।
ফুটবল স্টেডিয়াম থেকে ক্রিকেটের প্রধান ভেন্যুতে রূপান্তর। ৩ ফুট মাটি খনন, ড্রেনেজ, নতুন গ্যালারি ও ঘাস।
সাকিব আল হাসান
মাশরাফি মর্তুজা
মুশফিকুর রহিম
মোহাম্মদ আশরাফুল
শাহরিয়ার নাফীস
আফতাব আহমেদ
শের-ই-বাংলা
জহুর আহমেদ
শেখ আবু নাসের
শেখ আবু নাসের
শহীদ চান্দু
ফতুল্লা
স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি। দুই কন্যা — জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান।
ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাবের চেয়ারম্যান। সিটি ক্লাব প্রতিষ্ঠায় সহায়তা। বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের ক্রিকেটে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন।
২০০৭ সালের পর জিয়া পরিবার কখনোই একসাথে হতে পারেনি। খালেদা জিয়া ২০১২ সালে সিঙ্গাপুরে কোকোর সাথে শেষবার সাক্ষাৎ করেন।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের ইউনিভার্সিটি অব মালায়া মেডিকেল সেন্টারে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু। বয়স মাত্র ৪৫ বছর।
২৭ জানুয়ারি ঢাকায় হাজার হাজার শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা। বনানী কবরস্থানে দাফন।
তাঁর মৃত্যুতে বিসিবি ও কোয়াব শোক প্রকাশ করে। তাঁর তৈরি ক্রিকেটাররা পরবর্তী দশকে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেন।